NarayanganjToday

শিরোনাম

লঞ্চডুবির ঘটনায় হতাহত পরিবারের প্রতি আইভীর শোক


লঞ্চডুবির ঘটনায় হতাহত পরিবারের প্রতি আইভীর শোক

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবিতে হতাহতের ঘটনায় শোকাহত পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী৷ সোমবার (৫ এপ্রিল) রাতে এক শোক বার্তায় তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান৷

মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় যে ২৯ জন নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারের প্রতি জানাই সমবেদনা৷ নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনা করি এবং পরিবারগুলো যাতে অবর্ণনীয় এ শোক কাটিয়ে উঠতে পারে সে প্রার্থনা জানাই৷ আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন নাসিক মেয়র৷

রোববার সন্ধ্যা পাঁচটা ছাপ্পান্ন মিনিটে মুন্সিগঞ্জের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল ছেড়ে যায় এম এল সাবিত আল হাসান নামে যাত্রীবাহী লঞ্চটি। তখনও কালবৈশাখীর ঝড় শুরু হয়নি। লঞ্চটির ধারণ ক্ষমতা ৬৮ জন হলেও সেদিন তারও কম যাত্রী নিয়ে রওয়ানা হয়েছিল বলে জানান লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি মনিরুজ্জামান রাজা। অনুমানিক সোয়া ছয়টার দিকে মদনগঞ্জ-সৈয়দপুর এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর অদূরে এসকেএল-৩ (এম: ০১২৬৪৩) নামে একটি কার্গো জাহাজ পেছন থেকে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী লঞ্চটিকে। সে সময় প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লঞ্চটিকে ঠেলে অন্তত ২০০ মিটার দূরে নিয়ে গিয়ে ডুবিয়ে দেয় কার্গো জাহাজটি। এর মধ্যেই নদীতে ঝাপিয়ে পড়েন কয়েকজন। সন্ধ্যা সাতটায় এ প্রতিবেদন রেখা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, রাতেই ২৯ জন যাত্রী সাঁতরে জীবিত অবস্থায় নদী পার হতে সক্ষম হন। পাওয়া যায় পাঁচ নারীর লাশ। নিখোঁজ ছিলেন আরও ৩০ জন। লঞ্চডুবির ঘটনার ১৮ ঘন্টা পর গতকাল দুপুর বারোটার দিকে লঞ্চটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হলে তার ভেতর পাওয়া যায় আরও ২১ জনের লাশ। বিকেলে মেলে আরও ৩ জনের লাশ। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৬ যাত্রী।

উপরে