NarayanganjToday

শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের সেই প্রতারকসহ দুজন রিমান্ডে


সিদ্ধিরগঞ্জের সেই প্রতারকসহ দুজন রিমান্ডে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করাসহ একাধিক অপরাধ সংঘটিত করা প্রতারক প্রদীপ চন্দ্র বমর্ণসহ দুজনকে দুদিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. বদিউজ্জামানের আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে পুলিশ মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

রিমান্ডে নেওয়া অপর প্রতারক হলেন, মো. আনিসুর রহমান। সে প্রদীম চন্দ্র বর্মণের সহযোগি হিসেবে কাজ করতেন। রিমান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. আসাদুজ্জামান।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৩১ মে) দুপুর ৩ টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মাদানীনগর এলাকা থেকে বহুমুখী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই প্রতারককে আটক করে র‌্যাব-১১।এসময় তাদের কাছ থেকে একটি প্রাইভেটকার, দুইটি মোবাইল, ব্যানার, জীবনবৃত্তান্ত ফরম ও তালাশ নিউজ-৭৯ টিভি নামের আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১ জুন) ভোর সাড়ে ৫টায় র‌্যাব-১১'র সদর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,বহুমুখী প্রতারক চক্রের মূলহোতা প্রদীপ চন্দ্র বর্মণ ওয়াকিটকি সেট, মনোগ্রাম সম্বলিত জ্যাকেট ও হ্যান্ডকাফ দেখিয়ে নিজেকে একাধারে ‘সমাজের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা’র চেয়ারম্যান,তালাশ নিউজ টিভি-৭৯ ও দৈনিক সত্যের সংগ্রাম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে পরিচয় প্রদান করে থাকে এবং সে ভুয়া আইডি কার্ড তৈরি করে ট্রাফিক পুলিশ ও যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চাকুরীর আশ্বাস দিয়ে এবং তার কথিত টিভি চ্যানেল ও ‘সমাজের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার’ অন্যান্য সদস্যপদে ও নিউজ চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে সরল বিশ্বাসী মানুষের কাছ থেকে চাকুরী প্রদানের আশ্বাস দিয়ে পরিকল্পনা মাফিক বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিতো। পরবর্তীতে তার কাছে কেউ টাকা ফেরত চাইলে তার কথিত টর্চার সেলে নিয়ে গিয়ে সে তাদের অত্যাচারের হুমকি প্রদান করতো।

প্রদীপ চন্দ্র নিজে এক সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিল। ২০১৫ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়াও অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার ও বিতরণ করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতারক প্রদীপ এর প্রধান সহযোগী আনিসুর রহমান নিজে মূলত একজন রিকশা চালক বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে নতুন সদস্য সংগ্রেহের কাজে তাকে বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করে আসছিলো।

 

 

 

 

উপরে