NarayanganjToday

শিরোনাম

ক্ষতিপূরণে ষাট হাজার টাকা পেলেন সেই ফরিদ


ক্ষতিপূরণে ষাট হাজার টাকা পেলেন সেই ফরিদ

অবশেষে ১০০ প্যাকেট খাদ্য সহায়তা প্রদানের খরচ বাবদ ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন সেই বৃদ্ধ ফরিদ আহমদ খান। সরকারি সহায়তা চেয়ে যিনি গুনেছিলেন জরিমানা। তবে উপজেলা প্রশাসন বা স্থানীয় ইউপি সদস্য নন এই টাকা দিয়েছেন শাহীনূর আলম নামে স্থানীয় এক ধনাঢ্য ব্যক্তি। তিনি ওই এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির উপদেষ্টা।

রোববার (২৩ মে) বিকেলে বাসায় ডেকে ফরিদ আহমদ খানের হাতে টাকা তুলে দেন শাহীনূর আলম। প্রশাসনের অনুরোধে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এই টাকা দিয়েছেন বলে জানান তিনি। যদিও সকালে জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছিলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ওই টাকা ফরিদ আহমদের পরিবারকে প্রদান করা হবে।

শাহীনূর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফরিদ পৈত্রিক সূত্রে এই বাড়ি পাইছে। তাদের ছয় ভাই ও এক বোন এই বাড়ির মালিক। সে একা না। তার পরিবারে অবিবাহিত এক মেয়ে ও প্রতিবন্ধী এক ছেলে আছে। এক মেয়েরে বিয়ে দিছেন। সে কারখানার মালিকও না, সেখানে চাকরি করে। তার সম্পর্কে তথ্য ভুল গেছে প্রশাসনের কাছে। এই কারণে তারে ইউএনও সাহেবা ১০০ ব্যাগ খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই খাদ্য দিতে গিয়ে স্বর্ণ বিক্রি করতে হইছে, টাকা ধার করতে হইছে। এই অবস্থায় আমাকে প্রশাসন থেকে টেলিফোন করে। আমি যেহেতু বিত্তবান তাই সহায়তার জন্য আমাকে সবাই ফোন করে। বিকেলে আমি ফরিদ, তার স্ত্রী ও ভাতিজাকে ডেকে এনে ৬০ হাজার টাকা দিছি।

উপরে