NarayanganjToday

শিরোনাম

ফের বিতর্কে সেই আলাউদ্দিন হাওলাদার


ফের বিতর্কে সেই আলাউদ্দিন হাওলাদার

ছাগল চুরির সালিশের নামে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিলেন সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার। এবার এক কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগের বিচার বসানোর অভিযোগ উঠেছে এই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ফতুল্লার পাগলা নয়ামাটি মুসলিমপাড়া এলাকার দুলাল গাজীর ভাড়াটিয়া বাসায় ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনার বিচার বসান আলাউদ্দিন হাওলাদার।

ভুক্তভুগী কিশোরীর মা জানান, অভিযুক্ত শান্ত ও তারা একই বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়া থাকেন। গত ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার ১৩ বছরের কিশোরী মেয়ে বাথরুমে গেলে কৌশলে বাথরুমের মাঝের দেয়াল টপকে তার মেয়ের বাথরুমে প্রবেশ করে তার মেয়ের মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়ের চিৎকারে দরজা ধাক্কা দিলে শান্ত দরজা খুলে বেরিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনা জানার পর শান্তকে পিটুনি দেয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার তার অফিসে নিয়ে অভিযুক্ত শান্তকে পুলিশের হাতে না দিয়ে মারধর করে। পরদিন সকালে অভিযুক্ত শান্তকে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

জানতে চাইলে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘আমি কোনো বিচার করি নাই। ঘটনা যেদিন ঘটছে তার পরের দিন আমাকে জানাইছে। আমি ওদেরকে বলছি পুলিশকে বলতে, ওরা বলে নাই। মেয়ের বাবা-মা বললো, ভাই মেয়েকে বিয়া দিতে অইবো। এগুলো কিছু দরকার নাই। আমি ছেলের মামারে বলছি তোমার ভাগিনা যে কাজ করছে তার বিচার কইরা দিলাম, তবে তোমার ভাগিনা কিন্তু এই এলাকায় থাকতে পারবে না। তাছাড়া বিষয়টি নিয়ে যদি মেয়েপক্ষ পুলিশকে না জানায় তাহলে আমি কীভাবে পুলিশকে জানাই।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাতে দুই যুবককে ধরে এনে চোর আখ্যা দিয়ে আলাউদ্দিন হাওলাদারের অফিসে বেধরক পেটানো হয়। পরবর্তীতে একটি ছাগল দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনায় গত বছরের ১৭ জানুয়ারি গ্রেফতারও হন ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার।

উপরে