NarayanganjToday

শিরোনাম

হেফাজতকে ছাড় নয়,সোনারগাঁয়ে হানিফ


হেফাজতকে ছাড় নয়,সোনারগাঁয়ে হানিফ

সারা দেশে হেফাজতে ইসলাম যে অরাজকতা সৃষ্টি করে ধংসাত্বক কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে, তাদের এ সকল ধংসাত্বক কর্মকান্ডের কঠিন জবাব দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম হানিফ।

বুধবার (৭ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে হেফাজতের উশৃঙ্খল নেতাকর্মীদের দ্বারা ভাঙচুর হওয়া সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিস সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম হানিফ সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা।

এ সময় করোনা ভাইরাস বিষয়ে হানিফ বলেন, দেশে আবার প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ এবং সংক্রমণে মৃত্যু দিন দিন বাড়ছে। ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে এ ভাইরাস। করোনার সংক্রমণ হঠাৎ বাড়তে থাকায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। সেই লকডাউনের বিষয়ে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করে হেফাজতের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলে তাদের ফায়দা লুটার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের সকল অপচেষ্টা নষ্ট করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

পরিদর্শনের সময় আওয়ামীলীগের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান, নারায়নগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু শহীদ মোহাম্মদ বাদল, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালামসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার সন্ধ্যায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে নারীসহ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় এক রিসোর্টে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। যদিও ওই নারীকে মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন তিনি। পরে মামুনুল হককে ছাড়িয়ে নিতে ওই রিসোর্টে ব্যাপক ভাংচুর চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। পরে এরই রেশ ধরে সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রধান কার্যালয়, সাংবাদিক, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের বাড়ীতে হামলা চালানো হয়।

উপরে