NarayanganjToday

শিরোনাম

সিগারেটের আগুনে স্বামীর পর কন্যার মৃত্যু,আশঙ্কাজনক স্ত্রী


সিগারেটের আগুনে স্বামীর পর কন্যার মৃত্যু,আশঙ্কাজনক স্ত্রী

ফতুল্লায় সিগারেটের আগুনে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ  একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাবা দীপায়ন সরকার (৩৫) ও মেয়ে দিয়া রানী সরকার (৫)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এখনও চিকিৎসাধীন মা পপি সরকার (২৮)। 

শনিবার (২১ নভেম্বর) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এর আগের দিন শুক্রবার দিবাগত রাতে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর সরদার বাড়ী এলাকার আনোয়ার হোসেনের ভাড়া বাসায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

দগ্ধ পপি সরকারের বরাত দিয়ে দীপায়নের বড় বোনের জামাতা সুসেন সরকার বলেন, শুক্রবার মধ্য রাতে গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল ধরাতে গেলে রুমের মধ্যে আগুন লেগে যায়। এসময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আগুন নিভিয়ে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

ডাক্তারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দীপায়নের শরীরের ৪৮ শতাংশ, দিয়ার ৪০ শতাংশ ও পপির ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। মূলত তাদের মুখমন্ডল ও শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। যার জন্য শনিবার রাত ১০টার দিকে দীপায়ন ও দিয়া মারা গেছে। পপি এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় বলে জানিয়েছেন ডাক্তার।

 সুসেন সরকার জানায়,১০ দিন আগে গ্রাম থেকে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে আসে দীপায়ন সরকার। গ্রামে খুব কষ্টে জীবন যাপন করায় কাজের সন্ধানে শহরে আসে তারা। কয়েক জায়গায় কাজের জন্য কথাও চলছিল। কিন্তু এর মধ্যেই এমন দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সুসেন সরকার বলেন, হয়তো রান্না শেষে গ্যাস ভালো ভাবে বন্ধ করেনি। যার জন্য গ্যাস লিকেজ হয়ে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে ছিল। তাই লাইটটার দিয়ে কয়েল ধরাবার সময় গেছে আগুন লেগে যায়।

ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, শনিবার রাতে বাবা ও মেয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। স্ত্রীর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। তাদের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।

 

উপরে