NarayanganjToday

শিরোনাম

যুদ্ধজাহাজ এমভি আকরাম পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক


যুদ্ধজাহাজ এমভি আকরাম পরিদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক

‘যুদ্ধজাহাজ এম ভি আকরাম মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি বড় নিদর্শন’ উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ কম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ কমান্ডোরা চাঁদপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে পাক সেনাদের অস্ত্র মজুদকৃত এমভি আকরাম জাহাজটি ডুবিয়ে দিয়েছিলো। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি বড় নিদর্শন। এটি সংরক্ষণ করার জন্য ছয়টি মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দুটি  জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি মাদারীপুর বিআইডব্লিউটিএর টেনিং সেন্টার পাশে এবং অপরটি চাঁদপুর নতুন পোর্টের পাশে। গঠিত কমিটি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন পেশ করার পর যে স্থানটি জনবহুল ও দর্শণীয় বলে বিবেচিত হবে সেখানে জাহাজটি রেখে সংরক্ষরণ করা হবে।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) শীতলক্ষ্যা নদীতে নোঙর করা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত যুদ্ধজাহাজ এম ভি আকরাম সংরক্ষণের ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, এর জন্য যে পরিমান অর্থ চাহিদা দেয়া হবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয় সেটি সরকারের কাছে থেকে বরাদ্ধ এনে জাহাজটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে। জাহাজটির সৌন্দর্য বর্ধনে প্রয়োজনে বিদেশী স্থপতি প্রকৌশলীদের পরামর্শ নেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী মোজাম্মেল হক।

জাহাজটি পরিদর্শনের সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ছিলেন সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব মেজবাউদ্দিন, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক,সোনারগা ভুইয়া ফাউন্ডেসনের চেয়ারম্যান লায়ন বাবুলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী আরও বলেন, কোন অর্বাচীনের কথায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হবে না। সারা দেশে জাতির জনকের অসংখ্য ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। পথে ঘাটে কে কি বললো তা নিয়ে গুরুত্ব দেয়ার কোন কারন নেই। বর্তমান সরকার যে কথা বলে তা বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা নিয়েই বলে।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় মেঘনা নদীতে নৌ-কমান্ডোরা পাকসেনাদের যুদ্ধজাহাজ এমভি অকরাম ডুবিয়ে দেয়। পরবর্তীতে জাহাজটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়।

উপরে